শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:১০ পূর্বাহ্ন
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ আপনারা শিক্ষক, মানুষ গড়ার কারিগর। আপনাদের অবস্থানে থেকে কোনো রাজনীতিতে জড়ানো ঠিক হবে না। শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে রাজনীতির মেধা প্রজ্ঞা প্রতিষ্ঠানে ব্যয় করুন। তাহলেই শিক্ষার আমূল পরিবর্তন হবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক। বৃহষ্পতিবার দুপুরে ঢাকার দোহারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির শুভেচ্ছা বিনিময় আয়োজন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
উপজেলার পুরাতন সভাকক্ষে সমিতির সভাপতি নুরে আলম সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রাকিব হাসান, সমিতির সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক ফারুক-ই আজম, কাজল রেখা, কিন্ডার গার্টেন স্কুল সমিতির সভাপতি একলাল আহমেদ, যুবদলের ঢাকা জেলা জেষ্ঠ্য সহ-সভাপতি আবুল হাশেম বেপারী প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে সংসদ সদস্য আশফাক খন্দকার প্রথমেই ফুলের তোড়া গ্রহণ না করে প্রত্যেক শিক্ষকের কাছে গিয়ে হাতে ফুল তুলে দিয়ে বরণ করে শুভেচ্ছা জানান। পরে সমিতির নেতৃবৃন্দ তাকেঁ সংবর্ধণা দেন।
এ অনুষ্ঠানে সাংসদ আশফাক বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা প্রায় ধ্বংসের পথে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ শিক্ষকদের রাজনৈতিক দর্শন থেকে বের হয়ে আসতে হবে। আপনারই পারেন সেই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে। তিনি বলেন, আমি চাই দোহার নবাবগঞ্জের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করে ভালো ফলাফল উপহার দিন। মেধা বিকাশের মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ সমাজ বির্নিমানে আপনারা চাইলে সেটা সম্ভব। ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাপলের মাধ্যমে তার কিছু বাস্তবায়ন দেখতে চাই। বিগত সময়ে কি হয়েছে তা আপনারা জানেন। আমরা সামনে এগোতে চাই।
এসময় তিনি বলেন, কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতে কেউ প্রভাব বিস্তার বা রাজনৈতিক কোনো বলয় তৈরী করতে না পারে সে বিষয়ে সজাগ থাকবেন। কেউ এর ব্যতয় ঘটাতে চাইলে আমাকে জানাবেন।

খন্দকার আবু আশফাক একই দিন দোহারে সরকারী পুকুর ও জলাশয়গুলোকে সংস্কারের মাধ্যমে মৎস্য চাষের উপযোগী করে তুলতে উপজেলায় একটি ফলক উম্মোচন করেন। এছাড়া বিকেল সাড়ে তিনটায় দোহার উপজেলা মিলনায়তনে মাসিক আইনশৃংখলা সভায় যোগদান করেন। এসব অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলার ইউএনও মাইদুল ইসলাম, সহকারি কমিশনার (ভূমি) তাসফিক সিগবাত উল্লাহ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম, দোহার থানার ওসি আবু বকর সিদ্দিক প্রমুখ।